কুয়ালালামপুরে বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান

অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ বেশি লাভজনক

বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি লাভজনক বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি লাভজনক বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। কুয়ালালামপুরে গতকাল বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সুযোগ-সংক্রান্ত এক ব্যবসায়িক ফোরামে এ কথা বলেন তিনি।

বক্তব্যের শুরুতেই বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বাংলাদেশী তরুণ জয় বড়ুয়ার রোবোটিক হাত প্রস্তুতকারক কোম্পানি ‘রোবোলাইফ টেকনোলজিসে’র গল্প তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘২২ বছর বয়সী এক তরুণের এ কোম্পানির পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। প্রতিষ্ঠালগ্নে প্রাথমিক মূলধন হিসেবে মালয়েশিয়ান বহুজাতিক কোম্পানি আজিয়াটা গ্রুপ এখানে বিনিয়োগ করে। এটি একটি উদাহরণ, যেখানে মালয়েশিয়ান বিনিয়োগ ও বাংলাদেশী তরুণরা একত্রিত হয়ে সমাজের জন্য ভালো কিছু বয়ে এনেছে। এ কারণেই আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী।’

তিনি মালয়েশিয়ান বিনিয়োগকারীদের সামনে বাংলাদেশ যেসব প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা প্রদান করে তা তুলে ধরেন। পাশাপাশি শুল্ক ও অ-শুল্ক বাধা অপসারণে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টা বর্ণনা করেন।

চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশের আয়তন মালয়েশিয়ার প্রায় অর্ধেক হলেও জনসংখ্যা প্রায় ছয় গুণ বেশি। তাই এটি একটি বড় ভোক্তা বাজার। ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম ভোক্তা বাজার হতে চলেছে, যা যুক্তরাজ্যের চেয়েও বড় বাজার।’

তিনি মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের তুলনামূলক উৎপাদন ব্যয়ের চিত্র তুলে ধরে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, লেদার, ফার্মা, অ্যাপারেল, এগ্রো প্রসেসিং, আইটি, রিনিউয়েবল এনার্জি খাতের কথা উল্লেখ করেন। চৌধুরী আশিক মাহমুদ বলেন, ‘এসব খাতে সর্বোচ্চ মুনাফা করার সুযোগ রয়েছে। হালাল পণ্য রফতানিকারক পাঁচটি দেশের তুলনায় বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো অনেক বেশি বর্ধনশীল। এখানে শতাধিক কোম্পানি রয়েছে, যাদের হালাল সার্টিফিকেট রয়েছে।’

আরও